Friday, July 30, 2021
Homeপ্রযুক্তিচক্ষু কপালে ওঠার কথা শুনেছি আমরা এতদিন, এবার সত্যিই কপালে উঠে এল...

চক্ষু কপালে ওঠার কথা শুনেছি আমরা এতদিন, এবার সত্যিই কপালে উঠে এল তৃতীয় চক্ষু

নিজস্ব সংবাদদাতা: এখন প্রায় সব মানুষ রাস্তায় চলার সময়ও তাদের ব‍্যস্ততার কারনে স্মার্টফোনের স্ক্রিন থেকে চোখ সরাতে পারেন না, তাঁদের জন্য বিশেষ সমাধান নিয়ে হাজির হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার এক ডিজাইনার। রাস্তায় দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচাবে নতুন এই ডিভাইস। তার জন্য 28 বছরের পায়েং মিন-উক তৈরি করে ফেলেছেন একটি রোবোটিক আইবল। নতুন এই ডিভাইসের নাম ‘দ্য থার্ড আই’। যে সব গ্রাহক রাস্তায় চলাফেরা করার সময়েও স্মার্টফোনে মুখ গুঁজে থাকেন, তাঁরা নিজেদের কপালে ব্যান্ডের সাহায্যে এই ডিভাইস বেঁধে দুর্ঘটনা এড়াতে পারবেন।

আসলে এই ধরনের ডিভাইসের পোশাকি নাম ‘ফোনো সেপিয়েন্স’। যখনই মাথা নীচু হবে তখন নিজে থেকেই চলতে শুরু করবে এই ডিভাইস। কোনও বাধা ইউজারের 1-2 মিটারের মধ্যে চলে এলেই, সতর্ক করে দেবে এই ডিভাইসটি। অভাবনীয় এই ডিভাইস তৈরি করে পায়েং বলছেন, ভবিষ্যতে মানুষকে এমনিতেই সব কিছু তিনটি চোখ দিয়ে দেখতে হবে।

সিওল শহরের বিভিন্ন প্রান্তে থার্ড আই ডিভাইস ডেমনস্ট্রেশনের সময় এই কথা জানিয়েছেন রয়্যাল কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ইম্পেরিয়াল কলেজের ইনোভেশন ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর পায়েং মিন-উক। তাঁর আরও বক্তব্য, যেহেতু আমরা স্মার্টফোন থেকে চোখ সরাতে পারছি না, তাই খুব দ্রুতই আমাদের তৃতীয় চোখের প্রয়োজন হবে। এই ডিভাইসের ডেমনস্ট্রেশনের সময় অনেকই আগ্রহ সহকারে তা দেখেছেন।

সিওলের বাসিন্দা লি ওক-জো বলছেন, ‘এক ঝটকায় ওই ব্যক্তির কপালে চোখ দেখে আমি তাঁকে এলিয়ান ভেবেছিলাম। আজকাল কম বয়সীরা রাস্তাঘাটে স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। যদিও এই ডিভাইস তাঁদের দুর্ঘটনা এড়াতে সাহায্য করবে।’ থার্ড আইয়ের সঙ্গেই একটি ক্যামেরা মডিউলকে স্মার্টফোন অ্যাপের সঙ্গে কানেক্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে পায়েং মিন-উকের। যদিও এই ডিভাইসকে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করার কোনও আগ্রহ আপাতত তাঁর নেই। তবে, ভবিষ্যতে চাহিদা বাড়লে নিজের অবস্থানও বদলাতে পারেন বলে খোলসা করলেন পায়েং মিন-উক।

23 বছরের শিন জায়ে-ইক বলছেন, এই ডিভাইসটি খুবই আকর্ষণীয়। এই ডিভাইস ব্যবহার করলে, রাস্তায় একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খেতে হবে না। এখনই আমার এই ডিভাইসের প্রয়োজন না থাকলেও, ভবিষ্যতে আমি এই ডিভাইস কেনার কথা ভাবতে পারি।

Most Popular