Monday, June 21, 2021
HomeEDITOR PICKSসীমান্তে 'মাইক্রোওয়েভ' অস্ত্র ব্যবহার করেছিল চিন

সীমান্তে ‘মাইক্রোওয়েভ’ অস্ত্র ব্যবহার করেছিল চিন

নিজস্ব সংবাদদাতা : লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় গুলি চালনা নিষিদ্ধ। অথচ, চিনা সেনাদের দাপটে ভারতীয় সেনাদের পিছু হঠতে হয়েছিল অসু্স্থতার কারণে। সেই অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আনলেন চিনের এক অধ্যাপক।

ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের চিনা অধ্যাপক জিন কানরং ক্লাসে পড়ানোর সময় পড়ুয়াদের বলেছেন, ‘চিনের ‘মাইক্রোওয়েভ’ অস্ত্রের মুখেই পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল ভারতীয় সেনা’। ওই অধ্যাপকের দাবি, মাইক্রোওয়েভ অস্ত্রের কারণেই ভারতীয় সেনারা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং পিছু হটতে বাধ্য হয়। ‘মাইক্রোওয়েভ’ অস্ত্র ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি ছুড়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে পারে।

চিনা অধ্যাপক যে মাইক্রোওয়েভ অস্ত্রের কথা বলেছেন, তা চিনে তৈরি হয়েছিল অনেক আগেই। এই অস্ত্রের একটা বিশেষত্ব আছে। মাইক্রোওয়েভে যেমন কোনও কিছু গরম করা হয়, তেমনি এই অস্ত্র মাইক্রোওয়েভের মতোই হিট রে বা অত্যন্ত উত্তপ্ত রশ্মি ছুড়ে লক্ষ্যবস্তুকে কাবু করতে পারে। ০.৬ মাইল দূর থেকেও এই অস্ত্রের নিশানা করা যায়। যদি মানুষের শরীরে এই রশ্মি ঢোকে তাহলে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। শরীরের জল শুষে নিতে পারে এই রশ্মি।

যার প্রভাব পড়ে অঙ্গপ্রতঙ্গগুলিতে। প্রচণ্ড মাথাযন্ত্রণা, বমি ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। ব্রিটেনের একটি খবরের কাগজে ছাপা হয়, চিন দাবি করেছে গত ২৯ অগস্ট গালওয়ান উপত্যকায় যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল সেখানেও নাকি এই মাইক্রোওয়েভ অস্ত্রেরই প্রয়োগ করেছিল চিনা বাহিনী। এই অস্ত্র থেকে ছোড়া রশ্মির কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ভারতীয় জওয়ানরা। বমি করতে শুরু করেন অনেকেই।

পরে পাহাড়ি এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। এই খবর সামনে আসার পরেই হইচই শুরু হয়ে যায়। নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে টুইট করে এই খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করে ভারতীয় বাহিনী। সেনার তরফে জানানো হয়, লাদাখের উপত্যকা ও পাহাড়ি ফিঙ্গার পয়েন্টগুলিতে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তিব্বতি পার্বত্য বাহিনীর মোকাবিলা করতে পারেনি চিনের ফৌজ। তাদের অনধিকার অনুপ্রবেশের চেষ্টাও রুখে দেওয়া হয়েছিল। তাই সাজিয়েগুছিয়ে মিথ্যা গল্প ফেঁদে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।

Most Popular