Friday, July 30, 2021
Homeকোভিড-19ভ্যাকসিন নেওয়া সত্ত্বেও এই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে

ভ্যাকসিন নেওয়া সত্ত্বেও এই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে

নিজস্ব সংবাদদাতা : টিকা কোনও চিরস্থায়ী রক্ষাকবচ নয়। চেহারা বদলানো ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে অন্য উপায় ভাবতে হবে। ভ্যাকসিনকেই করোনা-যুদ্ধের একমাত্র ঢাল করা নিয়ে ইতিমধ্যে সুর চড়িয়েছেন অনেকে। এবার কি তবে সেই যুক্তি আরও প্রকট হল ?

কারণ ভ্যাকসিন নেওয়া সত্ত্বেও ভারত মহাসাগরের বুকে ছোট্ট দ্বীপ সেশেলসে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি এমনই যে, চলতি সপ্তাহে সংক্রমণ একধাক্কায় দ্বিগুণ ছুঁয়েছে। গোটা ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে সেশেলস সরকার।

যদিও পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মুখ খুলতে নারাজ হু। সেশেলসে-র জনসংখ্যা মেরেকেটে এক লক্ষেরও কম। আফ্রিকার বাকি দেশগুলির মতো এখানেও থাবা বসিয়েছে করোনা। লোকসংখ্যা কম থাকায় প্রথমে লকডাউন এবং তারপর গণটিকাকরণ মিটিয়ে ফেলতে খুব একটা বেগও পেতে হয়নি।

খাতায়-কলমে এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্যাকসিন এখানেই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোভিডের দ্বিতীয় ঝাপটা আসতেই দেখা দিয়েছে এই নতুন দুর্যোগ। সেশেলসের প্রশাসন সূত্রে খবর, তাঁরা প্রধানত দু’টি টিকার উপরে আস্থা রেখেছিলেন।

তার মধ্যে একটি ভারতে তৈরি কোভিশিল্ড। অন্যটি চিনা প্রতিষেধক সিনোফার্ম। দেশের জনসংখ্যার ৫৭ শতাংশ সিনোফার্ম ভ্যাকসিন নিলেও বাকিদের কোভিশিল্ডের ডোজ দেওয়া হয়। টিকাকরণের শুরুতে অবশ্য আতঙ্ক বাড়েনি।

কিন্তু ৭ মে থেকেই চেহারা বদলাতে থাকে। ধীরে ধীরে চড়তে থাকে আক্রান্তের গ্রাফ। এমনকী সোমবার তা দ্বিগুণেরও বেশি ছুঁয়েছে বলে দাবি স্বাস্থ্য দফতরের। তাদের পরিসংখ্যান বলছে, এখনও পর্যন্ত দেশে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৪৮৬ জন।

আর তাঁদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নিয়েছেন। বিপদ বুঝে ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ফের লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Most Popular