নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবারই দিল্লি পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্বপরিকল্পিত সাক্ষাতের জন্য শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছন তিনি। দীর্ঘ ৪০ মিনিট চলে এই বৈঠক। সময়সীমা দেখে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আলোচনা ইতিবাচকই হয়েছে। এরপর রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মমতা। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হলুদ গোলাপের তোড়া নিয়ে দেখা করেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলার মিষ্টি দিয়ে সৌজন্য বিনিময়ও হয় এইদিন। বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে সে সম্পর্কে জানা যায়নি। দিল্লিতে থাকাকালীনই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মমতা। তাতে একাধিক বিষয়ের উল্লেখ করেছেন তিনি। চিঠিতে লেখা, ‘১০০ দিনের কাজ (মনরেগা), প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার ১৭,৯৯৬.৩২ কোটি টাকা বকেয়া। রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রকে এ বিষয়ে বার বার জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। যার জেরে প্রকল্প রূপায়ণ বাধা পাচ্ছে। সমস্যায় পড়ছেন গ্রামের মানুষেরা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের জন্য সাধারণত অর্থবর্ষের শেষে টাকা পাঠানো হয়। যা দিয়ে সময় মতো প্রকল্প রূপায়ণ সম্ভব হয় না বলেও লিখিত অভিযোগ করেন মমতা।